ছেলেদের অর্থাৎ পুরুষদের দুনিয়ায় অদ্ভুত একটি ভাগ আছে।


 ছেলেদের দুনিয়ায় একটা অদ্ভুত ভাগ আছে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় পুরুষাঙ্গের ধরনকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়— ব্লাড (Blood/Grower) এবং ফ্লেশ (Flesh/Shower)।

স্বাভাবিক বা বিশ্রামরত অবস্থায় এবং উত্তেজিত অবস্থায় (Erection) পুরুষাঙ্গ কেমন আচরণ করে, তার ওপর ভিত্তি করেই এই মজার নামকরণ! 

 ব্লাড বা গ্রোয়ার (Grower):

এই ধরনের পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে বেশ ছোট মনে হয়। অনেকেই এটা নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগেন। কিন্তু এদের টিস্যুর ইলাস্টিসিটি এতোই বেশি যে, উত্তেজনার সময় যখন রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, তখন এটি অনেক প্রসারিত হয় এবং আকারে বড় হয়ে যায়। ছোট থেকে হঠাৎ বড় হওয়ার এই ক্ষমতার জন্যই একে 'গ্রোয়ার' বলা হয়।

ফ্লেশ বা শাওয়ার (Shower): 

এই ধরনের পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতেই বেশ বড়সড় দেখায়। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, উত্তেজনার পর এদের আকার খুব একটা বাড়ে না। কারণ, এরা শুরু থেকেই তাদের সর্বোচ্চ আকারের কাছাকাছি থাকে। এদের ক্ষেত্রে প্রসারিত হওয়ার ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকে।

স্বাভাবিক অবস্থায় পুরুষাঙ্গ দেখতে কেমন বা কতটুকু বড়, তার ওপর এর আকার বা পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা একেবারেই নির্ভর করে না! আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ইরেকশনের পর 'ব্লাড' এবং 'ফ্লেশ' দুই ধরনের পুরুষাঙ্গই গড়ে প্রায় একই মাপের হয়ে যায়।

পুরো ব্যাপারটাই নির্ভর করে সুস্থ রক্ত সঞ্চালনের ওপর। তাই প্রাথমিক আকার দেখে হতাশ হওয়া বা বড়াই করার বৈজ্ঞানিকভাবে কোনো ভিত্তি নেই!

Written by
Abdul Gaffar (Mahfuz Sir)
B.Sc(hons) & M.Sc in Mathematics, 
Diploma in Computer Science (CS)
B.Ed in Mathematics and Science. 
Owner and senior Lecturer. 
AG's Tuition. 

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ